16 October 2021 BENGALI Murli Today – Brahma Kumaris

16 October 2021 BENGALI Murli Today – Brahma Kumaris

Read and Listen today’s Gyan Murli in Bengali

15 October 2021

Morning Murli. Om Shanti. Madhuban.

Brahma Kumaris

আজকের শিব বাবার সাকার মুরলি, বাপদাদা, মাধুবন। Brahma Kumaris (BK) Murli for today in Bengali. This is the Official Murli blog to read and listen daily murlis.

"মিষ্টি বাচ্চারা - তোমাদের বুদ্ধিকে জ্ঞান মন্থনে বিজি রাখো, তাহলে সব দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত হয়ে যাবে, সদা খুশী বজায় থাকবে"

প্রশ্নঃ --

যারা নিজেকে যজ্ঞের সার্ভেন্ট মনে করে তাদের লক্ষণ বলো ?

উত্তরঃ -:-

শিববাবা এই ব্রহ্মা মুখের দ্বারা যা কিছু বলবেন, তাকে তারা সাথে সাথে মেনে নেবে। তিনি যা বলবেন – তাকে মানা, একেই শ্রীমৎ বলা হয়। শ্রী শ্রী শিববাবার মতানুসারে চলেই তোমরা শ্রেষ্ঠ হয়ে ওঠো। শ্রেষ্ঠ হওয়া অর্থাৎ বিজয় মালাতে আসা।

গান:-

ওম্ নমঃ শিবায়.

ওম্ শান্তি । শালগ্রামদের প্রতি শিব ভগবানুবাচ। রুহানী বাচ্চাদের প্রতি রুহানী বাবা বোঝাচ্ছেন । এখন তোমরা বাচ্চারা জেনে গেছো যে, আমাদেরকে এখানে আত্মা মনে করে বসতে হবে। সমগ্র দুনিয়াতে একজনও এমন মানুষ নেই যে নিজেকে আত্মা মনে করে । আত্মা কী, এটাই তো জানে না, তবে পরমাত্মাকে কীভাবে জানবে ? বাবার দ্বারাই তোমরা জানতে বুঝতে পারো যে মূল জিনিসটা কী ? মানুষ কিছুই না জানার কারণে কতো দুঃখী। তোমরা বাচ্চারা জানো এই ড্রামা বা সৃষ্টি রূপী বৃক্ষের আয়ু হল ৫ হাজার বছর। যেমন আমের বীজ হয়, সেটা যদি চেতন হত তাহলে বোঝাতে পারতো যে, আমি হলাম বীজ, আমার থেকে এই বৃক্ষটি কীভাবে বেরিয়েছে। কিন্তু সেটা হল জড়। চৈতন্য বৃক্ষ হল একটিই। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই সমগ্র বৃক্ষের নলেজ তোমরা পেয়েছো, নম্বর ক্রমান্বয়ে পুরুষার্থ অনুসারে তোমরা বুঝতে পারো। বাবা বলেন, আমি হলাম এই মনুষ্য সৃষ্টির বীজ, সৎ চিৎ আনন্দ স্বরূপ আমি। আমাকে জ্ঞানের সাগর বলা হয় । এ হল নিরাকারের মহিমা । তোমরা জানো যে, বাবার এই মহিমা হল সবার থেকে একেবারে পৃথক। মানুষ তো বাবার মহিমাকে একেবারেই জানে না। এই লক্ষ্মী-নারায়ণ ইত্যাদি দেবতা হলেও তাদের মধ্যেও এই নলেজ নেই। এই ড্রামার জ্ঞান তোমরা পেয়েছো। তোমরা জানো যে এই সৃষ্টির চক্র কীভাবে আবর্তিত হয়, তারপর আমরা দেবতা হলে তখন আমাদের এই জ্ঞান আর থাকবে না। ওয়ান্ডার (আশ্চর্যের) না ? তোমরা এই ড্রামার অ্যাক্টর্স, তাই না ? রচয়িতা আর রচনার জ্ঞান তোমাদের আছে। না শূদ্র বর্ণের না দেবতা বর্ণের এই জ্ঞান থাকে। এমন নয় যে জ্ঞান পরম্পরা অনুসারে চলে। যেমন উৎসব অনুষ্ঠানের বিষয়ে বলে পরম্পরাগত ভাবে চলে আসছে। এখন তোমরা জানো যে সত্যযুগে কেউ উৎসব অনুষ্ঠান গুলির বিষয়ে জানেই না, তারা তো অবুঝ। সেখানে কিছুই স্মরণ থাকবে না। সেখানে তো রাজত্ব করে থাকে। তোমাদের প্রত্যেকের বুদ্ধির তালা খুলে গেছে। মুখ্য ক্রিয়েটর, ডায়রেক্টর, প্রিন্সিপাল কে তোমরা জানো। তোমাদের কতো ভালো ভালো নলেজ প্রাপ্ত হয়। এইসব নলেজকে যারা জানবে না তারা হল অবুঝ। তোমরাও অবুঝ ছিলে, এখন দেবতা হতে যাচ্ছো। এই নলেজ যার বুদ্ধিতে প্রবাহিত হতে থাকবে তার অপার খুশী হতে থাকবে। তোমরা ছাড়া আর কেউই এই নলেজকে বুঝতে পারবে না। গড ফাদারকেই ওয়ার্ল্ড অলমাইটি অথরিটি, নলেজফুল বলা হয়। নলেজ কীসের ? সকল বেদ, শাস্ত্র ইত্যাদির নলেজ তাঁর রয়েছে। শাস্ত্র গুলিতে রচয়িতা আর রচনার নলেজ নেই, সেই কারণেই তো মুনি ঋষিরা বলে এসেছে আমরা রচয়িতা আর রচনাকে জানি না। বোঝাতে পারেন সেই একজনই, আর কেউ জানবে কীকরে ? এই নলেজ তোমরা বাচ্চাদেরকে আর কেউই দিতে পারে না । তোমাদেরকে এই জ্ঞানের প্রদাতা হলেন বাবা। তিনি কত বড় নলেজফুল ! তোমরা কতো বড় পদ প্রাপ্ত করো। কতখানি খুশী হওয়ার কথা। আমরা হলাম বেহদ বাবার সন্তান । জ্ঞানের দ্বারা বুদ্ধি ভরপুর থাকা উচিত। এমন কোনো জিনিস নেই যে তোমরা জানো না। এখন তোমরা মাস্টার নলেজফুল হচ্ছো। যে আত্মা তমোপ্রধান হয়েছে, সে বাবাকে স্মরণ করতে করতে সতোপ্রধান হয়ে যাবে । নম্বর অনুক্রমে আছে না ? কারো তমঃ থেকে রজঃ বুদ্ধি হবে, কারো রজঃ থেকে সতঃ হয়ে থাকবে। এখন সতোপ্রধান বুদ্ধি কারোরই নেই। সতোপ্রধান যখন হয়ে যাবে তখন তোমাদের কর্মাতীত অবস্থা হয়ে যাবে। তখন তো নতুন দুনিয়া চাই – রাজত্ব করবার জন্য। এই যজ্ঞ যখন সম্পূর্ণ হয় তখন তাতে পুরানো দুনিয়ার আহূতি পড়তে থাকে। তখন ঈশ্বরীয় পড়াশোনাও সম্পূর্ণ হয়ে যাবে – নম্বর ক্রমান্বয়ে পুরুষার্থ অনুসারে । যেমন স্কুলে স্টুডেন্ট মনে করে যে, আমরা এই পরীক্ষা পাশ করে এরপর ওই ক্লাসে ট্রান্সফার হয়ে যাব। তোমাদেরও যখন কর্মাতীত অবস্থা হবে, তখন এই মৃত্যুলোকের থেকে ট্রান্সফার হয়ে অমরপুরীতে চলে যাবে। তোমরা এখন জানো – এখন এখান থেকে ট্রান্সফার হতে হবে। পবিত্র হয়ে অমরলোকে চলে যাবে। আসলে আমরা শান্তিধামের অধিবাসী ছিলাম, তারপর পার্ট প্লে করতে করতে অমরলোক থেকে মৃত্যুলোকে এসে পৌঁছেছি। অতএব এই সমগ্র নলেজ বুদ্ধিতে থাকার ফলে খুশীতে থাকবে। জ্ঞান ছাড়া আর কিছু বুদ্ধিতে আসবে না। এখন আমরা পড়াশোনা করে নতুন দুনিয়ার মালিক হবো, এটাও বোঝানো উচিত। এখানে হলই পতিতরা। দেবতা তো কেউ নেই। মানব থেকে দেবতা কে বানাবে ? বাবাই বানাতে পারেন। এখন তোমরা বোঝাতে পারো যে, অবশ্যই স্বর্গ ছিল, যেখানে লক্ষ্মী-নারায়ণের রাজত্ব ছিল। তার স্থাপনা কে করেছিল ? হেভেনলি গড ফাদার প্যারাডাইস স্থাপন করেছিলেন । যেখানে দেবী-দেবতারা রাজত্ব করবেন, আর অন্য কোনো ধর্ম থাকবে না। এ হল বিশাল বড় বেহদের নাটক। তোমরা তো চৈতন্য, তাই না ! তোমরা জানো যে, এই বৃক্ষের বীজ উপরে রয়েছে। বাবা ইম্প্যারিশেবল অবিনাশী । তোমরাও ইম্প্যারিশেবল। এখন সম্পূর্ণ বৃক্ষ জরাজীর্ণ অবস্থা প্রাপ্ত হয়েছে। এই সময় সব মানুষ কাঁটার মতো হয়ে গেছে। কাঁটার জঙ্গল যেমন হয়। সবাই একে অপরকে দুঃখ দিয়ে থাকে। বাবাই হলেন বাগানের মালিক। তাঁকে মাঝিও বলা হয়। তোমরাও বোট চালাতে শিখছো। সকলের তরী কীভাবে পার হবে, তোমাদেরকে বসে সেটা বোঝাচ্ছি। তরণী কোনো শরীর নয়। তরণী হল আত্মা ও শরীর এই দুই এর সমষ্টি। গানও রয়েছে আমার তরী পার করে দাও। এখন আত্মাও যেমন পতিত, শরীরও পতিত। এখন পার হবে কীভাবে আর যাবেই বা কোথায় ? এখন তোমরা মূল লোক, সূক্ষ্ম লোক… সত্যযুগকে নিয়ে কলিযুগ পর্যন্ত সব রহস্যকে জেনে গেছো। তাও তোমাদের বুদ্ধিতে এ’সব কেন থাকে না ? তোমরা ভুলে কেন যাও ? সর্বদা বুদ্ধিতে যদি এগুলো প্রবাহিত হতে থাকে, তাহলে তোমরা আনন্দে থাকবে। দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত হয়ে যাবে।

তোমরা জানো যে, বাবা এসেছেন, আমাদেরকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। যে নলেজ বাবার কাছে রয়েছে, তিনি তা আমাদেরকে দিচ্ছেন। এ’ সব হল একেবারে নতুন কথা, যা বাবা ছাড়া আর কেউই বোঝাতে পারবে না। নিরাকার বাবা সাকারের দ্বারা শোনাচ্ছেন । তোমরাও এই শরীরের দ্বারা শুনছো। তো বাবা, বাচ্চারা তোমাদেরকে নিজ সব বানাচ্ছেন। যা বাবার মহিমা তা তোমাদেরও হওয়া উচিত। তফাৎ কিছুই নেই। কেবল বাবা বলেন – আমি জনম-মরণে আসি না, তোমরা জনম-মরণে আসো। তোমরা আমাকে বলে থাকো জ্ঞানের সাগর, সুখের সাগর… তাহলে নিশ্চয়ই আমি তোমাদেরকে জ্ঞান প্রদান করি, প্রতি কল্পে প্রদান করি। তোমরা বুঝে গেছো ৮৪ র চক্র অতিক্রম করে এখন অন্তিমে এসে পৌঁছেছি । এরপর বাবা আমাদেরকে এক নম্বরে (জন্মে) নিয়ে যান। এটাই তো হল নলেজ। নলেজ হল সোর্স অফ ইনকাম। যে যত পড়বে, তার তেমন ইনকাম হবে। এটা যেমন নলেজ তেমন সওদাগরিও। তোমরা নোংরা আবর্জনা দাও বাবাকে। যখন কেউ মারা যায় তখন সব কিছু ডোম-কে যেমন দিয়ে দেয়, এখানে তোমরা বেঁচে থাকতেই দিয়ে দাও। বাস্তবে এ’সব হল এখনকারই বিষয়। বাবা বলেন – তোমাদের কাছে যা কিছু আছে, মৃত্যুর পূর্বে দিয়ে দাও। তোমরা ট্রাস্টি হয়ে যাও। এখন তো তোমাদের কাছে যা কিছু রয়েছে, অন্তিম মুহূর্তে স্মরণে আসবে। কোনো বিত্তবান মানুষ জ্ঞান নিতে চাইবে না। তাদের এই সাহুকারীও তো এই এক জন্মেরই, তাই না ! শরীর তো ত্যাগ হয়ে যাবে। জানতেও পারবে না যে, কর্ম অনুসারে কোথায় গিয়ে জন্ম নেবে। তোমরা তো জানো যে, আমরা এখন যতখানি পুরুষার্থ করবো, ততখানিই প্রালব্ধ পাবো। এই সময় সকলে শারীরিক সার্ভিস করছে। রূহানী সার্ভিসের বিষয়ে কেউ কিছুই জানে না । সুপ্রিম রুহ এসে তোমাদেরকে নলেজ বোঝান। তিনি হলেন সুখের সাগর, দুঃখ হরণকারী, সুখ প্রদানকারী। ওঁনার শিব জয়ন্তীও পালন করা হয়। কিন্তু বুদ্ধিতে আসে না। এখন তোমাদের বুদ্ধিতে এই জ্ঞান আছে যে, বাবা আমাদেরকে ৫ হাজার বছর পর পর এসে বোঝাবেন । সত্যযুগে এই জ্ঞান থাকবে না, কলিযুগে তাহলে আবার কীভাবে আসবে। দুনিয়াতে এটা কেউই জানে না যে, লক্ষ্মী-নারায়ণের মন্দির আমরা কেন বানাই। এরা কে ছিলেন, তাদেরকে এই রাজত্ব কে দিয়েছিলেন ! এ হল কর্মেরই ফল ! বাবা বসে এখন তোমাদেরকে কর্ম, অকর্ম, বিকর্মের গতি বোঝাচ্ছেন। ভগবানুবাচ আছে না ! গীতার থেকেই আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্মের স্থাপনা হয়। সেখানে জন সংখ্যা খুব কম থাকে। তাহলে বাকি সবাই নিশ্চয়ই মুক্তি প্রাপ্ত হবে। মহাভারতের কাহিনীও লেখা হয়েছে, অনেক উপদ্রব সৃষ্টি হবে। ন্যাচারাল ক্যালামিটিস আসবে। পুরানো দুনিয়ার অবসান হবে। এইসব হল সেই বম্বস, মিসাইল, এটাই হল সেই বিনাশের সময় যখন ভগবান এসে রুদ্র জ্ঞান যজ্ঞ রচনা করেছিলেন, যার থেকে জ্বালা নির্গত হবে। ভগবান যজ্ঞ রচনা করেন সুখ-শান্তির জন্য, এই দুঃখ অশান্তির অবশ্যই বিনাশ হওয়া উচিত । এই ঈশ্বরীয় জ্ঞান যজ্ঞে সমগ্র সৃষ্টি স্বাহা হয়ে যাবে । এই সব কথা তোমাদের বুদ্ধিতে রয়েছে ।

আমরা হলাম ব্রাহ্মণ । এই শিব বাবার যজ্ঞে আমরা ব্রাহ্মণরা হলাম সার্ভেন্ট। আমরা হলাম সত্যিকারের মুখ বংশাবলী ব্রাহ্মণ। বাচ্চারা তোমাদের বাবা মুখ থেকে যা যা উচ্চারণ করছেন সেটা মানা উচিত। শ্রীমতের উপরেই আমাদেরকে চলতে হবে। এটাও তোমরা জানো যে, শ্রী শ্রী শিববাবার মত অনুসারে আমরা শ্রেষ্ঠ হয়ে মালার দানা হবো। মালার দানা বলা হয় সিজরা অর্থাৎ বংশলতিকাকে। বংশলতিকা হয় তারপর সেটা বড় হতে থাকে। বাবা নিজে বংশলতিকা বানিয়েছেন । এটাও হল বংশলতিকা, উপরে হল নিরাকারী শিব বাবা, তারপরে হল আত্মারা। নিরাকারী বংশলতিকা তারপর সাকারী হয়। সবার প্রথম নম্বরে হল প্রজাপিতা, ওটা হল প্রাকৃতিক এটা হল রুহানী। রুহানী বাবা এসে প্রজাপিতা ব্রহ্মার দ্বারা রচনা করেন। বলেও থাকে, পতিত দুনিয়াকে এসে পবিত্র বানাও। প্রলয় তো কখনো হয় না। ওয়ার্ল্ডের হিস্ট্রি জিওগ্রাফি রিপিট হয়। পুরানো দুনিয়া তখন নতুন দুনিয়া হয়ে যায়। এখন তোমরা পুরুষার্থ করছো নতুন দুনিয়ার জন্য। এই বেহদের নলেজ বাবা’ই এসে দেন। হদ অর্থাৎ জাগতিক সম্পদের উত্তরাধিকার পাওয়া সত্ত্বেও অসীম জগতের পিতাকে স্মরণ করে। হে ভগবান! বলে থাকে না ? যখন কারো মৃত্যু হয় বলে – গড ফাদারকে স্মরণ করো। তাহলে দু’জন পিতা এটাই প্রমাণিত হল তো ? সব আত্মারা হল ব্রাদার্স। আত্মাই আহ্বান করে হে দুঃখ হর্তা সুখ কর্তা, হে লিবারেটর এসো, আমাদেরকে আমাদের নিকেতনে ফিরে যাওয়ার জন্য গাইড করো। গৃহের কথা আমাদের স্মরণে আছে, কিন্তু যেতে পারব না, কেননা মায়া পাখা ভেঙে দিয়েছে। কেউই ঘরে ফিরে যেতে পারব না। এখন তোমাদেরকে নিজেদের জ্যোতি নিজেকেই জাগাতে হবে। বাবাকে স্মরণ করতে থাকলে ঘৃত পড়তে থাকবে। জ্যোতি একেবারে নিভে যেতে পারে না। কেউ মারা গেলে প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখে। এই বিষয়ে সতর্ক থাকে যাতে এতে ঘৃত যেন কমে না যায়, অন্ধকার যেন না হয়ে যায়। এখন তো তোমাদেরকে যোগ বলের দ্বারা ঘৃত দিয়ে যেতে হবে, তাহলে তিমির অন্ধকার থেকে আলোকিত, দীপমালিকা হয়ে যায়। দীপমালা সত্যযুগে হবে। এখানে নয়। এইসব যে উৎসব পালন করা হয়, তার রহস্যও তোমরা বুঝেছো। তারা তো কিছুই বোঝে না। তবুও বোঝানো হয়ে থাকে যে, এই রাখী ইত্যাদি হল পবিত্রতাতে থাকার জন্য। মানুষকে জ্ঞানের ইঞ্জেকশন এমন যুক্তির সাথে লাগানো উচিত যাতে তারা ফিল করে যে, হ্যাঁ, আমরা তো সত্যিই ভ্রষ্টাচারী। বাবাই আমাদেরকে শ্রেষ্ঠাচারী বানান। বাবা বলেন – মন্মনাভব – তাহলে তোমরা তমোপ্রধান থেকে সতোপ্রধান হয়ে যাবে । যুক্তির সাহায্যে তীর লাগানো উচিত, কথা বলবার মতো পাওয়ার থাকা চাই। এখন তোমরা সর্বশক্তিমান বাবার থেকে শক্তি পেয়ে মায়ার উপরে বিজয় প্রাপ্ত করে থাকো। তখন তোমাদের রাজ্য-ভাগ্য প্রাপ্ত হতে পারে। বাবা ছাড়া আর কেউই জয়ী করাতে পারে না। বাবা বলেন দেখো বাচ্চারা, তোমাদেরকে আমি কি থেকে কি বানিয়ে তুলি। এখন এইরকম বাবাকে অবশ্যই স্মরণ করা উচিত, তাহলে বিকর্ম বিনাশ হবে। বাবা বলেন – মামেকম্ স্মরণ করো, তাহলে অন্তিম কালে যেমন মতি তেমনই গতি হয়ে যাবে । যেমন চিন্তন করা হয় তেমনই হয়ে যায়। তাই বাবা বলেন, আমাকে স্মরণ করতে করতে তোমরাও সেইরূপ হয়ে যাবে। স্মরণের দ্বারা বিকর্মও বিনাশ হবে আর তারপর নিজ নিকেতনে ফিরে চলে যাবে। এই নলেজ হল সোর্স অফ ইনকাম। হেল্থ ওয়েল্থ থাকলে হ্যাপিও থাকে। সেখানে আয়ুও কতো দীর্ঘ হয়। যোগেশ্বর কৃষ্ণকে বলা হবে না, যোগেশ্বর হলে তোমরা। ঈশ্বর তোমাদেরকে যোগ শেখাচ্ছেন । এটা হল রাজযোগ। যোগযুক্ত হয়ে তোমরা রাজ্য ভাগ্য পেয়ে থাকো। ঈশ্বর তোমাদেরকে যোগ শিখিয়ে রাজত্বের বর্সা দেন। তোমাদেরকে রাজত্ব কে দিয়েছিল ? বাবা দিয়েছিলেন। বাবা বলেন – অল্ফ’কে স্মরণ করো, তাহলে পাপ কেটে যাবে। এটা তো খুবই সহজ। তোমাদের বুদ্ধিতে কতো জ্ঞান রয়েছে । ভগবানের সন্তান তোমরা হলে মাস্টার গড। বাবার কাছে কি বসে থাকলে হবে নাকি। আমাদেরকে তো পার্ট প্লে করতে হবে । এতে দেহী-অভিমানী হতে হবে। আচ্ছা !

মিষ্টি – মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা – পিতা, বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত । আত্মাদের পিতা তাঁর আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার ।

ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-

১ ) বাবা যে জ্ঞান প্রদান করেন, তারই সর্বদা মন্থন করতে হবে । যুক্ত সহকারে কথা বলতে হবে। খুব ভালোবাসার সাথে বোঝাতে হবে।

২ ) নিজের কাছে যা কিছু আছে তাকে বেঁচে থাকতে থাকতেই বাবাকে দিয়ে ট্রাস্টি হয়ে একমাত্র বাবাকে স্মরণ করতে হবে।

বরদানঃ-

আমরা হলাম অলমাইটি অথরিটির সন্তান – এটা হল সর্বশ্রেষ্ঠ পজিশন। এই পজিশনের নেশাতে থাকো, তাহলে মায়ার অধীনতা সমাপ্ত হয়ে যাবে । এই অথরিটির স্বরূপ হয়ে উঠলে যে কোনো আত্মার কল্যাণ করতে পারবে। যারা সর্বদা এই নেশাতে থাকে, তারা সদা কালের রাজ্য ভাগ্য প্রাপ্ত করে থাকে । এই অথরিটি যদি সদা বজায় রাখো তবে বিশ্ব তোমাদের সামনে নত মস্তক হবে। তোমরা কারো সামনে নত হবে না।

স্লোগানঃ-

Daily Murlis in Bengali: Brahma Kumaris Murli Today in Bengali

Email me Murli: Receive Daily Murli on your email. Subscribe!

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top
Scroll to Top